কলকাতা নীল রতন মেডিকেল কলেজ এর ঘটনার তিন দিন কেটে গেলো | লিখতে বাধ্য হচ্ছি |

চক্রব্যূহ বোঝেন? মহাভারত পড়া আছে?
ইংলিশ এ বলা হয় ভিসিয়াস সাইকেল !

সেই হেলিক্স এ পরে গেছি দাদা ! আমি একা না | আমি আপনি আমরা সবাই | গোটা সমাজ !

ডাক্তারবাবুদের পেটানো হলো | আর লজ্জার কি হতে পারে? রক্ষক ই যখন আক্ৰান্ত ! স্তম্ভিত আমি | লজ্জা হয় এই সমাজ এ বাস করি বলে !

প্রতিবাদ এ ডাক্তার অবরোধ করছেন | করাই উচিত কিনা? মুখ নেই কিছু বলার তাদের|
কিন্তু মহাভারত তো ধৰ্ম শিখিয়েছে | চিকিৎসা করা তো তাদের ধৰ্ম | এই জন্যেই যুধিষ্টির একটাই হয়েছে | আশা করি কোনো মানুষ যেন বিনা চিকিৎস্যায় না মারা যান |

এর পর এস্টাব্লিশমেন্ট ! রক্ষক দেড় রক্ষা করাও তো এস্টাব্লিশমেন্ট এর ধৰ্ম | তাই না ?

আর খোচর? সে তো ধুনো দিয়েই খালাস ! আশা করি বলে দিতে হবে না কারা ধুনো দেয় |
মুশকিল হলো পুরান এ একজন নারদ ছিল | এখন আমরা সবাই প্রায় নারদ |

ভিসিয়াস সাইকেলটা বোঝা গেলো? প্রত্যেকটা লোক একে ওপরকে শাস্তি দিতে সমান ভাবে নিচে নামছে ! আমি আপনি আমরা সবাই | গোটা সমাজ |

সভ্যতা ফিরে আসুক |

ডাক্তারবাবুদের কাছে আমার এক অনুরোধ | ছোট মুখে অনেক বড়ো কথা বলছি | মাফ করবেন |
আপনারা ভগবানতুল্য | মানুষ কে দিত্বিয় বার জীবন দিতে পারেন আপনারা |

তাই এই এক অধর্মতার উত্তরে আপনারা এক উত্তমতা দিন | আপনারাই পারবেন | বাকি কেউ না | এক অধর্মাতার প্রতিবাদ এ যেন আপনারা আর এক অধর্মতা না দিয়ে বসেন | এই সমাজ আপনাদের দিকে তাকিয়ে বাচি আমরা |

আমার মা ডাক্তার | আপনাদের রাগ অভিমান দুঃখ সব বুঝি আমি | এক হাসপাতাল এ এসে বিনা চিকিৎসায় বসে থাকা মানুষের ও | যারা ইতর তারা তো আপনাদের নিচে নামবেই | আর আপনাদের নামানো মানে আমাদের আর গোটা সমাজ কেও নামানো | তবে আপনারাই তো পারেন আবার এই সমাজ কে ওই খাদ থেকে টেনে বার করে আন্তে |