আমার জ্ঞান খুবই কম আর সীমিত | তাও লিখছি | প্রফেসর স্টিফেন হকিং মারা যাওয়ার খবর তা পেয়ে খুবই হতাশ হয়েছিলাম | খবরটা আমি ফেসবুক দিয়েই পাই | তবে তার পর যে জিনিসটা দেখলাম ফেসবুক এ, তা আরও হতাশ করেছিল আমাকে |

দাদা আমি বর্তমানটাই ভালো করে বুঝতে পারছিনা যে, আবার ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম বোঝা আরো ও কঠিন হয়ে উঠেছে |

থিয়োরি অফ এভরিথিং আর স্ট্রিং থিয়োরির বেপ্যার এ গোটা বাংলা জাতি যে এত্ত উৎসুক সেইদিন প্রথম বুঝলাম | আর এর সঙ্গে এটাও বুঝেছিলাম বিজ্ঞান চর্চাতে এখনো বাঙালিরা আগের মতোই তৎপর | তবে হ্যা ! ইন্টেলেকচুয়াল বাঙালি তো আমরা – সত্যেন বসে, মেঘনাদ সাহা এবং আচার্য জগদীশচন্দ্র বসের মতো বাঙালিরা কে কবে মারা গেছিলেন, কে কি কাজ করে গেছেন বা তাদের কাজ আজকের এই যুগে কতটা তাৎপর্য বহন করে তা নিয়ে আমরা উৎসানিত নই বললেই চলে | তা অবশ্য সেই সব জেনে কি হবে? এখন ফেসবুক এর দ্বারা স্যার স্টিফেন হকিং হলো গিয়ে আমাদের বাঙালি ইন্টেলেজেন্সিয়ার প্রতীক |

এর সঙ্গে এটাও বলে রাখা দরকার – স্যার রোনাল্ড রস বা চন্দ্রাশেখর ভেঙ্কটা রামন এর নোবেল পাওয়ার পিছনে এই বাংলা পরোক্ষ ভাবে জড়িত | একটু খোঁজ নিলেই আপনি জানতে পারবেন | তবে তাতে খুব লাভ হবে বলে মনে হয় না | কি আরই হবে তা জেনে? রবীন্দ্রনাথ তো কোটি বছর এ একটাই আসে এই পৃথিবীতে – তার নোবেলটাও তো আগলে রাখা গেলো না | আর আমাদের ইতিহাস রেখে কি হবে? ফইসবুকএ কি দাম পাওয়া যাবে তাতে?

চেস্টার বেঁনিংটন, পল ওয়াকার বা স্যার স্টিফেন হকিং এর কাজ এর মতো যদি বাংলায় কাজ করে যাওয়া মানুষদের কাজ ও আমাদের মনে রাখা দরকার নাকি? যদি সেটা মনে করেন দাদা, চেষ্টা করবেন দাদা আমাদের ইতিহাসটা যেন মোর না যায় | এই সমস্ত ভুলে যাওয়া মানুষ গুলোর কাজের ও একটু বড়াই করে দেবেন ফেসবুক এ মাঝেমধ্যে |

অরে হ্যা দাদা ! আপনাদের মতো আমিও ভুলে যাচ্ছিলাম | অশোক সেনকে তো স্যার স্টিফেন হকিংই মনোনীত করেছিলেন না রয়েল সোসাইটি অফ লন্ডনের ফেলোশিপ এর জন্যে?